কোম্পানীগঞ্জে গায়েবি বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহকরা

প্রকাশিত:রবিবার, ২৭ জুন ২০২১ ০৯:০৬

কোম্পানীগঞ্জে গায়েবি বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা গ্রাহকরা

আব্দুল জলিল, কোম্পানীগঞ্জ:-  সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-২ এর আওতাধীন কোম্পানীগঞ্জ জোনাল অফিসের গায়েবি বিলে দিশেহারা গ্রহকরা। মিটারের ব্যবহৃত ইউনিটের চেয়ে বিলের কাগজে প্রায় ৫শত ইউনিটের ব্যবধান। এমন বিলে বিস্মিত ও দিশেহারা গ্রাহকেরা।

উপজেলার ভোলাগঞ্জ, পাড়ুয়া, নোয়াগাঁও, বুধবারী বাজার, রাজনগরসহ বিভিন্ন গ্রামে এমন গায়েবি বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রহকেরা। তবে পল্লী বিদ্যুতের দাবি এমন ঘটনা হবার নয়। তবে ভুলে এমনটি হতে পারে। গ্রাহকেরা জানিয়েছেন, জুন মাসের বিদ্যুৎ বিলে প্রায় প্রতিটি গ্রামে মিটারের রিডিং এর চেয়ে কাগজে বেশি লেখা হয়েছে।

ভোলাগঞ্জ গ্রামের মুর্শেদ আলম জানান, তার একটি বাসায় প্রায় দেড়মাস থেকে মেইন সুইচ বন্ধ রয়েছে। মেইন সুইচ বন্ধ থাকা এই মিটারে ২ মাস থেকে অস্বাভাবিক বিল আসতেছে। মে মাসে বিদ্যুৎ বিলের কাগজে ২৩ হাজার ৮শ ইউনিট দেওয়া হয়েছে এবং জুন মাসে দেওয়া হয়েছে ২৪ হাজার ৩শ ৫ ইউনিট। কিন্তু ২৬ জুন পর্যন্ত ঐ মিটারে ২৩ হাজার ৭শ ৭৮ ইউনিট ব্যবহার হয়েছে।

পাড়ুয়া উজান পাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলী জানান, তার মিটারে ২৪৮ রিডিং থাকলেও কাগজে ৩৫৫ রিডিং লেখা হয়েছে। প্রতি মাসে তার ২০-৩৫ ইউনিট আসে। কিন্তু জুন মাসে তাকে ১২০ ইউনিটের বিলের কাগজ দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী জানান, প্রতি মাসে এ ধরনের ৪০-৫০ টি গায়েবি বিল থাকে তবে এ মাসে একটু বেশি হয়ে গেছে।

কোম্পানীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম সিরাজুল ইসলাম বলেন, মিটারের চেয়ে কাগজে রিডিং বেশি হওয়ার কথা না। এমনটি হলে কেউ অভিযোগ দিলে যে রিডিং লিখে আনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-২ এর জিএম প্রকৌশলী সন্জীব কুমার রায় বলেন, মিটারের রিডিং এর চেয়ে কাগজে বেশি লেখার কোন সুযোগ নেই। এমনটি হলে মিটারের ছবি ও বিলের কাগজ অফিসে নিয়ে আসলে তা সমাধান করে দেওয়া হবে। মাঠ পর্যায়ে যিনি রিডিং সংগ্রহ করেন তিনি কি তার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতেছেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি এর কোন উত্তর দেননি। তবে তিনি বলেন এটি ভুল বসত হতে পারে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ