কোম্পানিগঞ্জে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পিতা ;পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার, ২৪ মে ২০২১ ০৭:০৫

কোম্পানিগঞ্জে ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ পিতা ;পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ

সিলেটের কোম্পানিগঞ্জের ছেলে ও ছেলের বউয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ জন্মদাতা পিতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য।ছেলের বউ নাটক সাজিয়ে কোম্পানিগঞ্জ থানায় তার অন্যান্য ছেলে এবং ভাতিজাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।মামলা নং(১৮)।

বড় ছেলে দুদু মিয়া ও তার স্ত্রী আখলিমা বেগম করা মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে সিলেট পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করেছেন পিতা আব্দুল জব্বার (৭৫)।

অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, বড় ছেলে দুদু মিয়া ও তার স্ত্রী আখলিমা বেগম আমার ও আমার অন্যান্য ছেলেদের সাথে কারনে অকারনে ঝগড়া ঝাটি করে।বিভিন্ন সময় আব্দুল জব্বারকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে অত্যাচার করে।এ নিয়ে প্রথমে গ্রাম্য বিচার এবং পরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।তার অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রাম আদালতে হাজির না হয়ে উল্টো পিতা জব্বারের প্রতি আক্রোশ্বান্বিত হয়ে উটে।

আব্দুল জব্বার বলেন,আমার ছেলে দুদু ও তার স্ত্রী আখলিমা আমাকে ও আমার অন্যান্য ছেলেকে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত এবং মিথ্যা মামলায় জড়িত করার পায়তারার লিপ্ত থাকে।

ওপর দিকে আমার ভাতিজা সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ফরিদ গংদের বিরুদ্ধে সি আর ৪৮/২১ যাহা জি আর ৫৮/২০২১ দায়ের করেন।আমার ভাতিজার উক্ত মামলা দায়েরের কারনে ফরিদ মিয়া ও জমসেদ মিয়া গং আমার পরিবার ও ভাতিজা সিরাজের পরিবারকে ধংস ও সায়েস্তা করার জন্য পুত্র বধু আখলিমা সহিত একের পর এক চক্রান্ত করতে থাকে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমার পুত্রবধূ আখলিমা বেগম আমার পরিবার ও ভাতিজা সিরাজুল এর পরিবারকে সায়েস্তা করার জন্য আমার ভাতিজা সিরাজুল ইসলামের মামলার আসামীদের সহিত আতাত করে প্রতিশোধ ও হিংসাত্নক মনোভব নিয়ে আমার বড় ছেলে দুদু মিয়া ও তার স্ত্রী আখলিমাকে ফরিদ গংদের সহিত ভাড়াটে চুক্তি করে ফরিদ গং প্রতিশোধ নেয়ার জন্য গত ১৫ মে সুত্রে বর্ণিত মামলার ঘটনা ঘটাইয়া মিথ্যা ভিত্তিহীন ভাবে আমার ছেলে মানিক,ভাতিজা আল আমিন, মদরিছ, ও সোনা মিয়াদেরকে সূত্রে মামলায় জড়িত করা হয়েছে।

প্রকৃত ঘটনা আমার বিশ্বাস পুত্রবধূ আখলিমা সূত্রে বর্ণিত ঘটনার জড়িত থেকে ফরিদ মিয়া,জমশেদ মিয়া,জফির মিয়া,রফিক মিয়া,সর্ব পিতা বশির মিয়া।আমার বড় ছেলে দুদু মিয়াকে গুরুগর জখম ও মারধর করে।

আব্দুল জব্বার পুলিশ কমিশনার বরাবর আবেদন জানান,উল্লেখিত মিথ্যা মামালা থেকে তার ছেলে ও ভাতিজাদের অব্যাহতি পূর্বক প্রকৃত ঘটনার সহিত জড়িত ফরিদ,জমশেদ, আলী হোসেন,জফির,রফিকদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের আহবান জানান।