কানাইঘাটে কিলঘুষিতে প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার, ১৬ মে ২০২১ ০৮:০৫

কানাইঘাটে কিলঘুষিতে প্রবাসীর মৃত্যু
এ ঘটনায় থানা পুলিশ আতাউর রহমানের উপর হামলার ঘটনার সাথে জড়িত মীর মাটি গ্রামের কুদরত উল্লাহ(৫০) তার ছেলে লিমন আহমদ(২৩) ও তার বোন মাহদিয়া(২৪)কে তাৎক্ষণিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আটক করে। তার মধ্যে আহত কুদরত উল্লাহকে পুলিশ হেফাজতে সিলেট এম.এ.জি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাসস্থল পরিদর্শন করেছেন কানাইঘাট সার্কেলের এ.এসপি আব্দুল করিম ও থানার ওসি (তদন্ত) জাহিদুল হক। জানা যায়, বৃষ্টির কারণে হরিসিং মাটি গ্রামের আতাউর রহমান সহ অনেকের বাড়িতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। গতকাল রবিবার সকাল ১০টার দিকে আতাউর রহমান তার ভাতিজাকে নিয়ে তার বসত বাড়ির পাশে অবস্থিত হরিসিং মাটি খাল দিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজ করছিলেন।

এসময় পাশ্ববর্তী মিরমাটি গ্রামের কুদরত উল্লা ও তার ছেলে লিমন আহমদ, সুমন সহ পরিবারের লোকজন আতাউর রহমানকে পানি নিষ্কাশনের কাজ করতে বাধা প্রদান করে। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে কুদরত পরিবারের সদস্যরা আতাউর রহমানকে কিল, ঘুষি ও লাতি মারতে থাকলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান। তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ আতাউর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।

থানার এস.আই পিযুষ চন্দ্র সিংহ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে সিলেট মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে এসে রেখেছেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কামরুন নাহার বাদী হয়ে কুদরত উল্লাহসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আতাউর রহমানের ছেলে আব্দুশ শাকুর জানিয়েছেন,তার বাবাকে কুদরত উল্লাহ ও তার ছেলে লিমন, সুমন, সালেহা বেগম, মাহদিয়া বেগম পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কিল, ঘুষি, লাতি মেরে হত্যা করেছে। তারা এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।

থানার ওসি(তদন্ত) জাহিদুল হক জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আতাউর রহমান মারা গেছেন। লাশের ময়ন তদন্তের পর কিভাবে আতাউর রহমান মারার গেছেন তা জানা যাবে। আমরা এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৩জনকে প্রাথমিকভাবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর যাদেরকে আসামী করা হবে তাদেরকে আটকের চেষ্টা করা হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ