বিশ্বনাথে বড় ভাই-ভাবীকে মারধরের মামলায় ছোট ভাই শ্রীঘরে

প্রকাশিত:শুক্রবার, ৩০ এপ্রি ২০২১ ০১:০৪

বিশ্বনাথে বড় ভাই-ভাবীকে মারধরের মামলায় ছোট ভাই শ্রীঘরে
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:-  সিলেটের বিশ্বনাথে বড় ভাই-ভাবীকে মারধরের ঘটনায় থানায় দায়ের করা মামলায় ছোট ভাইকে গ্রেফতার করে শ্রীঘরে প্রেরণ করেছে পুলিশ। চাচাতো ভাইকে মারধরের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে ছোট ভাইদের হামলা ও মারধরে গুরুত্বর আহত হয়েছেন উপজেলার দূর্য্যাকাপন গ্রামের মকদ্দুছ আলীর পুত্র আব্দুল আলীম (৫০) ও আলীমের স্ত্রী সুলতানা বেগম (৪৫)। এঘটনায় আব্দুল আলীম বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২৭ (তাং ২৮.০৪.২১ইং)।
মামলা দায়েরের পর বাদীর ছোট ভাই ও মামলার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল জলিল (৩৫)’কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এসময় পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত জলিলের কাছ থেকে একটি ছোট চাকু উদ্ধার করে। মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার দূর্য্যাকাপন গ্রামের মকদ্দুছ আলীর পুত্র আব্দুল হেকিম (৩০), ফিরোজ আলীর পুত্র আজির মিয়া (৪০), মৃত ইয়াকুব আলীর পুত্র খালিক আহমদ (১৭)।
মামলার অভিযোগপত্রে বাদী উল্লেখ করেছেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে মামলার অভিযুক্তরা বাদীর এতিম চাচাতো ভাই খালিক আহমদ (১৭)’কে মারধর করছে দেখে বাদী তাকে (খালিক) মারধর করতে নিষেধ দেন। এতে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো দা, লাঠি-সোঠা, লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদীকে মারধর শুরু করে।
অভিযুক্তদের করা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাদী রক্তাক্ত জখম হয়। এসময় বাদীর চিৎকার শুনে তার (বাদী) স্ত্রী এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা বাদীর স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। স্বামী-স্ত্রীর শোর-চিৎকার শুনে স্বাক্ষীগণসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের, চাকু উদ্ধার ও একজনকে গ্রেফতারের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) করে শামীম মুসা বলেন, অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ