কালভার্ট নয় যেন মরণ ফাদ !

প্রকাশিত:শুক্রবার, ৩০ এপ্রি ২০২১ ১১:০৪

কালভার্ট নয় যেন মরণ ফাদ !

রাহাদ হাসান মুন্না, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:-  ভাঠির জনপদ হাওর বেষ্টিত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের মাটিয়ান গ্রাম সংলগ্ন পুঁটিমারা কান্দায় হাওরের গুরুত্বপুর্ণ কালভার্ট গত দুই বছরের অধিক সময় ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে।বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মাটিয়ান হাওরের দশটি গ্রামের জনসাধারণ থেকে শুরু করে কয়েক হাজার কৃষকের।

জানাগেছে, বাঁশের এই সরু কালভার্ট দিয়ে মাটিয়ান হাওরের শিবরামপুর,শ্রীপুর, তরং, নয়াবন্দ,বেতাগড়া গ্রামের মানুষজন সহ ১০ গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক বোর ফসল রোপণ ও উত্তোলন কাজের জন্য যাতায়াত করে থাকেন বাঁশের এই কালভার্ট দিয়ে।কৃষি কাজ করার জন্য ভারি পরিবহন থেকে শুরু করে অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে থাকে এই কালভার্ট দিয়ে।তবে কালভার্টটি বেঙে যাওয়ায় সচারাচর ভাবে ধান বহন করার ট্রলি,মারাই মিশিন,টেলা গাড়ি এসব যান চলাচলে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।এমন দুর্ভোগে শিকার হচ্ছেন হওরের কয়েক হজার কৃষক।

স্থানীয় কৃষক মরম আলী বলেন, আমরা প্রতি বছর বোর ফসল উৎপাদন করি এই হাওরে। ফসল কাটা-দাওয়া শুরু হতে না হতেই বাঁশের এই কালভার্টটি প্রতি বছরেই আমাদের যাতায়াতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।কৃষি কাজ করেই আমরা কোন রকম ভাবে আমাদের জীবিকা নির্বাহ করি।তিনি আরো বলেন গত দু বছর ধরে আমরা এমন দুর্ভোগে আছি যেন দেখার মত কেও নেই।এই কালভার্টটি মেরামত করে দেয়ার জন্য ঊধর্বতন কর্মকর্তাগনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।’
উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ আলী হোসেন জানান,বেঙে যাওয়া কালভার্টটি কৃষকদের যাতায়াতে বাঁধা হয়ে আছে।হাওরের ফসল নিয়ে যাওয়ার জন্য বাঁশ ও মাটি দিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাজ করা হয়েছে কয়েকবার। মাড়াইকৃত ধান ট্রলি দিয়ে বহন করা যায় না বাঁশের কালভার্ট দিয়ে।এমনকি টেলা গাড়ি দিয়ে ধান পরিবহন করা হলেও বাঁশের কালভার্টটি বেঙে যায় পাশের মাটিও কাঁদামাটিতে পরিনিত হয়।তখন ওই কালভার্টটি আর কাজে লাগে না যাতায়াতে অনুপযোগি হয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকে বলে দ্রুত গতিতে এই কালভার্টটি মেরামত করা হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ