কানাইঘাটে সুলতানের উপর থেকে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী পরিবারের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রি ২০২১ ১২:০৪

কানাইঘাটে সুলতানের উপর থেকে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী পরিবারের

কানাইঘাট প্রতিনিধি:-  সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি’র বড়গ্রামের মঈন উদ্দিনের পুত্র মহিষ ব্যবসায়ী সুলতান আহমদের উপর থেকে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন তার পরিবারের লোকজন।

সোমবার রাত ৮টায় গ্রেফতারকৃত সুলতান আহমদের বড় ভাই মসনু মিয়া সুলতান আহমদের উপর দায়েরকৃত মামলাটিকে মিথ্যা মামলা আখ্যায়িত করে বলেন সুলতান কানাইঘাট সরকারী কলেজের বিএসএস’র একজন ছাত্র। লেখাপড়ার পাশাপাশি সে পরিবারের অভাব মিঠাতে মহিষ ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে।

সম্প্রতি তার উপর পূর্ব আক্রোশের জেরে পাশ্ববর্তী জকিগঞ্জ উপজেলার সোনাসার গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের পুত্র ভারতীয় গরু মহিষ ব্যবসায়ী মাছুম আহমদ সুলতানকে একটি মহিষ চুরির মামলায় জড়িয়ে তার বিক্রিত ১০টি মহিষ জোরপূর্বক ভাবে চিনিয়ে নিয়েছে। এবং ঐ মহিষ চুরির মামলায় গত শনিবার রাতে পুলিশ সুলতানকে গ্রেফতার করেছে উল্লেখ করে মসনু আহমদ জানান বিভিন্ন জায়গা থেকে যে ১০টি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে তা সুলতান আহমদের ক্রয়কৃত মহিষ যা পরবর্তী বিক্রি করা হয়েছে।

তিনি বলেন ঐ মহিষগুলো সুলতান আহমদ গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি এলাকার আব্দুর রহিমের পুত্র মহিষ ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের কাছ থেকে ১৩ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা মূল্যে গত ২৫ মার্চ উপরগ্রাম (হাদারপাড়) বাজার থেকে কিনেছে। যার বই নং ৮১। রসিদ নং ২০,২১,২২,২৩,২৪ ও ২৫। পরে তিনি ঐ ১০টি মহিষ কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজারে গত ২ এপ্রিল একই উপজেলার দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের মৃত জমসেদ আলীর পুত্র আবুল হাসানের কাছে বিক্রি করেন। যার বই নং ৭৩। রসিদ নং ৩৫৫২,৩৫৫৩,৩৫৫৪,৩৫৫৫ ও ৩৫৫৬।

এত কিছু থাকার পরও ভারতীয় গরু মহিষ ব্যবসায়ী মাছুম আহমদ সুলতানকে কি ভাবে চুরির মামলায় জড়িয়েছে এমনটাই প্রশ্ন রেখে মসনু বলেন সুলতানকে সম্পৃর্ণ উদ্দ্যের্শপ্রণোদিত ভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাই তিনি মামলাটি সঠিক ভাবে তদন্ত করে অবিলম্বে তার ছোট ভাই সুলতানকে মুক্তি দিয়ে প্রকৃত দোষিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ