আইসিইউতে ব্যারিস্টার মওদুদ

প্রকাশিত:বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১ ১১:০৩

আইসিইউতে ব্যারিস্টার মওদুদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।  আশঙ্কাজনক অবস্থায় মঙ্গলবার বিকালে হাসপাতালের আইসেইউতে নেওয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়।  মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতারে মওদুদের পাশে থাকা পরিবারের সদস্যের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

বুধবার সকালে টেলিফোনে তিনি বলেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গতকালের চেয়ে আজ ভালো আছেন। আইসিইউতে নেওয়ার পর তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। এখন তিনি নড়াচড়া করতে পারছেন।  তিনি জানান, গতকালও তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ২ ফেব্রুয়ারি মওদুদ সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন।

মঙ্গলবার মওদুদের একান্ত সহকারী মমিনুর রহমান সুজন গণমাধ্যমকে বলেন, স্যারের ফুসফুসে গত ১২ দিন ধরে পানি জমা হচ্ছে, যার কারণে ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণক্ষমতা একেবারেই কমে গেছে। পাশাপাশি উনার কিডনি জটিলতাও দেখা দিয়েছে।  আইসিইউতে নিয়ে উনার কিডনি ডায়ালাইসিসও শুরু করার কথা রয়েছে।

তিনি জানান, অবস্থার অবনিত ঘটার কারণে চিকিৎসকরা মওদুদকে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তর করেন।
সেখানে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চার্লস থোর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন মওদুদ। তার স্ত্রী হাসনা মওদুদও সিঙ্গাপুর রয়েছেন।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস, বুকে ব্যথা অনুভব করলে ২৯ ডিসেম্বর মওদুদকে ঢাকায় এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে চিকিৎসা নেন।  সেখানে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ায় তার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়।
১৩ জানুয়ারি সিসিইউ থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। ২০ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয়। এরপর আবার ২১ জানুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি  রাত ১২টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি দেশ ছাড়েন।  সেখানে দীর্ঘদিন আইসোলেশনে থেকে পরে এলিজাবেথে চিকিৎসা নেন।  সঙ্গে তার স্ত্রী হাসনা জসিমউদদীন রয়েছেন।

সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমদের পরিবার তার রোগমুক্তির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।