সিলেটের সেই আলোচিত বক্তা কেঁদে কেঁদে ক্ষমা চাইলেন

প্রকাশিত:সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১ ০৭:০৩

সিলেটের সেই আলোচিত বক্তা কেঁদে কেঁদে ক্ষমা চাইলেন

সিলেট অফিস।। কেঁদে কেঁদে প্রকাশ্যে আল্লাহর কাছে তওবা করেছেন ও শ্রোতার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার আলোচিত ইসলামি বক্তা ফেঞ্চুগঞ্জের আবদুল আহাদ জিহাদি। সম্প্রতি একটি ওয়াজ মাহফিলে হযরত উমর রা.-এর বৈশিষ্ট বর্ণনা করতে গিয়ে শ্রুতিকটূ ও সাহাবিদের মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করার কারণে তিনি পরবর্তীতে আরেকটি মাহফিলে প্রকাশ্যে এভাবে তওবা করেন ও ক্ষমা চান।

জানা গেছে, সম্প্রতি একটি ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য প্রদানকালে আবদুল আহাদ জিহাদি হযরত উমর রা.-এর বৈশিষ্ট বর্ণনা করতে গিয়ে শ্রুতিকটূ ও সাহাবিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় এমন কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে এ ভিডিও ভাইরাল হলে অনলাইন যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার ঝড় উঠে। ইসলামি ঘরানার সর্বমহল থেকে নিন্দা জ্ঞাপন করা হয় এবং অবিলম্বে আবদুল আহাদ জিহাদিকে প্রকাশ্যে তওবা করে শ্রোতাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজের ভুল বুঝতে পেরে পরের দিনই আরেকটি ওয়াজ মাহফিলে বক্তৃতা প্রদানকালে আবদুল আহাদ জিহাদি প্রকাশ্যে কেঁদে কেঁদে আল্লাহর কাছে তওবা করেন ও শ্রোতাদের কাছে ক্ষমা চান। এসময় তিনি বলেন, ‘ওই মাহফিলের পরে আমি চিন্তা করে দেখলাম- হযরত উমর রা.-এর শানে আমি যেসকল শব্দ ব্যবহার করেছি তা আসলেই ঠিক হয়নি। এর জন্য আল্লাহর দরবারে আমি তওবাহ করেছি এবং আপনাদের কাছেও আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আপনারা আমাকে মাফ করে দেবেন।’ তিনি বলেন, ‘ওই দিনের বক্তব্যের পর আমাকে আমার শ্রদ্ধেয় হুজুর ফোন করে বলেন- এটি ঠিক করিনি। তাই বিলম্ব না করে তাওবাহ করলাম। আমার ওই বক্তব্যে যেসব দ্বিনি ভাই মনে কষ্ট পেয়েছেন তারাও আমাকে ক্ষমা করে দেবেন।’

উল্লেখ্য, আবদুল আহাদ জিহাদি ওয়াজ মাহফিলগুলোতে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় কৌতুকপূর্ণভাবে বক্তব্য প্রদান করে থাকেন। তাঁর এসব বক্তব্য  ইন্টারনেট, ফেসবুক ও ইউটিউবের বদান্যতায় ভাইরাল হয়ে তিনি খুব অল্প সময়েই চলে এসেছেন আলোচনায়। আবদুল আহাদ জিহাদির বাড়ি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মানিক কোনায়।