সিলেট এয়ারপোর্ট গেইট সি.এন.জি ড্রাইভারদের ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন

প্রকাশিত:শুক্রবার, ২৬ ফেব্রু ২০২১ ০৬:০২

সিলেট এয়ারপোর্ট গেইট সি.এন.জি ড্রাইভারদের ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন

সুরমাভিউ:- সিলেট জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ নং ৭০৭ আম্বরখানা শাখার অন্তর্ভুক্ত এয়ারপোর্ট গেট স্টপেজ ড্রাইভারদের উদ্যোগে ৩য় বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সিলেট এয়ারপোর্ট গেটের মুখে উক্ত ওয়াজ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন জামেয়া আমিনিয়া মংলিপার হাজিনগর মাদ্রাসা এয়ারপোর্ট সিলেটের প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান।

ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন মাওলানা ইসলাম উদ্দিন ফারুকী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম হাবিবী।

বয়ান পেশ করেন মংলিপার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা শিব্বির আলম খান, ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়ন ইমাম সমিতির সভাপতি নতুন বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা হারুনুর রশিদ, এয়ারপোর্ট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুল খালিক, এয়ারপোর্ট গেট শাহজালাল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা হাফেজ সৈয়দ আব্দুল আউয়াল, লিটল লন্ডন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা হাবিবুর রহমান, বড়শলা জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা জাহেদ আহমদ, সোনাডহর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আলী, ছালেপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা উসমান গনি, নেছারাবাদ জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আমীনুল ইসলাম প্রমুখ।

হাফিজ জাকির আহমদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ওয়াজ মাহফিল বক্তারা বলেন, ইসলামই হচ্ছে একমাত্র আল্লাহ তাআলার মনোনীত দিন ধর্ম। ইসলামের প্রতিটি বিধান মানব কল্যাণের রয়েছে সঠিক দিকনির্দেশনা। মহান আল্লাহ তাআলার হুকুম এবং বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে ইহকালে শান্তি পরকালে মুক্তি। সমাজ থেকে সকল প্রকার সুদ, ঘুষ, যেনা-ব্যভিচার, হত্যা-খুন-রাহাজানি, অন্যায়-অবিচার দূরীকরণে ইসলামের বিধান মেনে চলার বিকল্প নেই। আত্মশুদ্ধির প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে সকল প্রকার অনৈতিক কাজের মূলোৎপাটন করতে হবে। ব্যক্তি ও সমাজ সঠিক পথে পরিচালিত হলে দেশে শান্তি চলে আসবে।
বক্তারা বলেন, আজ মুসলমানরা কোরআনের শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে নানা ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রতিটি ঘরে ঘরে কোরআনের শিক্ষা চালু করতে হবে, হালাল-হারাম বৈধ-অবৈধ মেনে চলতে হবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে ইনসাফ কায়েম হলে দেশ সমাজ সঠিক পথে পরিচালিত হবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে মহান আল্লাহর দিকে সকলকে ফিরে আসা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই।

হেদায়েতের রাস্তায় সকলকে পরিচালনার জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা চালাতে হবে। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত আদায়ের সাথে সাথে পরোপকার ও সমাজ হিতৈষী কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে হবে।
মাহফিলে দেশ-বিদেশের সকলের জন্য এবং জিন্দা-মুর্দা সকলের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বিজ্ঞপ্তি

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ