সিলেটে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে টিকা নিলেন সেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃৃবৃন্দ

প্রকাশিত:বুধবার, ১০ ফেব্রু ২০২১ ০৭:০২

সিলেটে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে টিকা নিলেন সেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃৃবৃন্দ

সুরমাভিউ:-  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনায় সিলেট নগরীতে শুরু হয়েছে করোনর ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রদান। এবার সিলেটের সম্মুখসারির যোদ্ধাদের মধ্যে টিকা নিয়েছেন সিলেট সেচ্ছাসেবক লীগের নেতৃৃবৃন্দ।

বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কারোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি সুব্রত পুরকায়স্থ, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসার আজিজ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এমদাদ রহমান, সিলেট মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি,এম রশিদ আহমদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু।

এ ব্যাপারে সিলেট জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসার আজিজ বলেন, গত ১৪ জুলাই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৮ জুলাই সুস্থ হয়ে উঠেন ।

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে এই প্রতিবেদক কে তিনি বলেন অস্বাভাবিক কোনো কিছু অনুভব করছি না। সকলকে আশ্বস্ত করতে চাই, এই টিকা নিতে ভয়ের কিছু নেই। সকলেই নির্ভয়ে টিকা নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, যেকোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। তবে এ ভ্যাকসিন নেওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী আধাঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। কোনো রকম সমস্যা অনুভব করিনি। একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করা চেষ্টা করছে। আমরা তাদের বলতে চাই, উন্নয়নের রাজনীতি ও প্রগতির রাজনীতিকে তারা বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই অদম্য অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে আমরা এগিয়ে যাবো।

প্রসঙ্গত, করোনাকালীন সময়ে সিলেটের মাঠে ময়দানে যে কয়েকজন রাজনীতিবিদ গরীব দু:খী মেহনতি মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছিলেন তাদের মধ্যে একজন আফসার আজিজ।

স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানান, সিলেট বিভাগে এক মাসে দুই লাখ ৬৮ হাজার ৮৮ জনকে করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে এক লাখ ১৫ হাজার ৪৭টি ভ্যাকসিনের চাহিদা ছাড়াও সুনামগঞ্জে ৯০ হাজার, হবিগঞ্জে ৩৫ হাজার ৪১টি এবং মৌলভীবাজারে ২৮ হাজার টিকার চাহিদা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ চাহিদা আরও বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুর রহমান জানান, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২টি বুথে ১২টি টিমের মাধ্যমে করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। এখানে দৈনিক এক হাজার ২শ’ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। এছাড়া পুলিশ লাইনস হাসপাতালে একটি বুথে থাকবে একটি টিম। প্রতিটি টিমে স্বেচ্ছাসেবক, সেবিকা ও চিকিৎসক থাকছেন।সিলেটে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে করোনার টিকা নিয়েছেন।

উল্লেখ্য: সিলেট বিভাগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম কোভিড–১৯ রোগী শনাক্ত হয়। এর পর থেকে ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা। এবার বহুল প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিন বের হবার পর করোনা থেকে বাঁচার উপায়ের সিলেট নগরীতে ভ্যাকসিন নিলেন হাজার হাজার নারী-পুরুষ মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সিলেটে ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সকাল থেকে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিদিন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সম্মুখসারির যোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ টিকা নিতে উপস্থিত হন। এছাড়াও পুলিশ লাইনে করোনার টিকা নেন সিলেট পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ