কোম্পানীগঞ্জে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত:রবিবার, ০৭ ফেব্রু ২০২১ ০৬:০২

কোম্পানীগঞ্জে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:-  সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম করোনা ভাইরাসের টিকা নিলেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার কামরুজ্জামান।

রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন ১৩ জন স্বাস্থ্য কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীকে এই টিকা দেওয়া হয়।

টিকাদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন আচার্য, ডাক্তার খাদিজা বেগম, ডাক্তার আব্দুল খালিক, উপজেলা আইসিটি অফিসার নাঈম হাসান, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মুজিবুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল।

এর আগে সকালে সারাদেশে শুরু হয় বহুল প্রতীক্ষিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি। রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতাল ও সারাদেশে মোট এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে। গত নভেম্বরে এই টিকার তিন কোটি ডোজ পেতে সেরামের সঙ্গে চুক্তি হয় বেক্সিমকোর। যার মধ্যে ৫০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে গত ২৫ জানুয়ারি। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি দেশে আসে ভারত সরকারের উপহার দেওয়া ২০ লাখ কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন।

কোম্পানীগঞ্জে ১০ হাজ ডোজ টিকা এসেছে যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিতে হবে টিকা প্রত্যাশীদের। প্রথম ধাপে ৫৫ বছরের ঊর্ধ্বে বাংলাদেশের নাগরিক, কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা, মুক্তিযোদ্ধা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংবাদমাধ্যমকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া হবে টিকা।

প্রতিটি মানুষকে দুই ডোজ করে দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ অর্থাৎ ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০৮ জন মানুষকে এই টিকা দেওয়া হবে। এছাড়াও, বাংলাদেশ গ্যাভি-কোভ্যাক্স থেকে ৬৮ মিলিয়ন বা ৬ কোটি ৮০ লাখ (প্রতিজন দুই ডোজ) ডোজ করোনার ভ্যাকসিন পাচ্ছে।

টিকাদান কার্যক্রম সহজ করতে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টারে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন করা ছাড়া কেউ টিকা পাবেন না।