শীতকালে ঠান্ডা না গরম, কোন পানি দিয়ে গোসল করবেন ?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসে ২০২০ ০৯:১২

শীতে জবুথবু? ঠান্ডা জলে স্নান করতে ভয়? ভরসা গরম জল? সাহস করে রোজ সকালে ঠান্ডা জলেই স্নান করুন। বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সুস্থ ও সতেজ থাকবে হার্ট। ব্লাড প্রেশার থাকবে স্বাভাবিক। দিনভর থাকবেন এনার্জিতে ভরপুর।

তবে অতিরিক্ত কোন কিছুই যে ভালোনা সেটা কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। অনেকেই গরম জলে স্নান করেন, অনেকে আবার সুস্থ থাকতে ঠান্ডা জলে স্নান করেন এই শীতেই। কোন জলে স্নান করা বেশি উপকার?

যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে, গরম জলের ব্যবহার, তাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের ওপর প্রভাব ফেলে।

অতিরিক্ত গরম জল ব্যবহার করলে মুখে ব্রণ হয়। অ্যাসিডিটি-র সমস্যাতেও চিকিৎসকেরা পুরোপুরি গরম জলে স্নান করতে বারণ করে থাকেন। এ ছাড়া মানসিক বিষণ্ণতাতেও গরম জলে স্নান করার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে, গরম জলের ব্যবহার, তাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের ওপর প্রভাব ফেলে।

আবার অতিরিক্ত ঠান্ডা জলে স্নান, আপনার শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়। এতে দেহের সূক্ষ্ম টিস্যুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নার্ভের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের বাতের ব্যথার প্রবণতা থাকে, তাঁদের ক্ষেত্রে ঠাণ্ডা জলে স্নান করা একেবারেই চলবে না। টনসিল, সর্দি, কাশি প্রভৃতি বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গের উৎপত্তি ঘটবে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে, রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় এই অভ্যাস।

তাহলে করবেনটা কি ?

শীতকালে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের পেশির রিল্যাক্সেশনের ক্ষেত্রে, এর থেকে ভালো উপায় আর নেই। এতে শরীরের রক্ত চলাচলের বৃদ্ধি ঘটে, অনিদ্রাজনিত সমস্যা দূর হয়। সর্দি, কাশি বা টনসিলের উপশম ঘটে। সমগ্র শরীর, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকে।