সিলেটে পাথর কোয়ারী খোলার দাবিতে পরিবহণ ধর্মঘট  

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ২২ ডিসে ২০২০ ০৮:১২

সিলেটে পাথর কোয়ারী খোলার দাবিতে পরিবহণ ধর্মঘট   

 সিলেট।।  পাথর উত্তোলন করতে সিলেটের সবগুলো কোয়ারি খোলার দাবি জানিয়েছেন সিলেটের পরিবহণ শ্রমিকরা। এ দাবিতে ২২ ডিসেম্বর সকাল ৬ টা থেকে ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত পরিবহণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা।

এ ধর্মঘটের আওতায় থাকবে গণপরিবহণ ও পণ্য পরিবহণ। বৃহত্তর সিলেট বিভাগজুড়ে ধর্মঘট পালন করার জন্য পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকরা মিলে ধর্মঘটের ডাক দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে সুনামগঞ্জের পরিবহণ শ্রমিকরা।

এদিকে ২১ ও ২২ ডিসেম্বর কর্মবিরতির ডাক দিয়ে সোমবার সকাল থেকে প্রথম দিনের কর্মবিরতি পালন করেন তারা। সকাল থেকে সিলেটে বন্ধ থাকে সিএনজি অটোরিকশা। গ্রিল লাগানোর সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ৬ দফা দাবিতে তারা কর্মবিরতি পালন করেন। প্রথম দিনের কর্মবিরতি চলাকালে সিএনজি অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ সড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেন।

প্রথম দিনে অটোরিকশা বন্ধ থাকলেও বাস চলাচল থাকায় তুলনামূলক জনসাধারণকে ভোগান্তিতে পড়তে না হলেও আগামীকাল থেকে গণপরিবহণ বন্ধ থাকলে জনগণকে ভোগান্তিতেই পড়তে হবে। এমনকি পণ্য পরিবহণ বন্ধ থাকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিয়েও ব্যবসায়ীদের পড়তে হবে ভোগান্তিতে।

পণ্যপরিবহন বন্ধ রাখার ব্যাপারে সিলেট জেলা ট্রাক-কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সরকারের বলেন, পাথর কোয়ারি না হলে সিলেটের ট্রাকগুলোর কি হবে? দীর্ঘদিন থেকে পাথর কোয়ারি বন্ধ থাকায় ট্রাক মালিক অনেকেই ব্যাংকের লোণ পরিশোধ করতে পারছেন না।

কোয়ারি বন্ধ থাকলেও এক শ্রেণির লোক এখনো পাথর উত্তোলন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগেও আমি গিয়েছিলাম কোম্পানীগঞ্জের ধলাই নদীতে। তখন আমি দেখেছি মেশিন ব্যবহার করে পাথর উত্তোলন হচ্ছে। প্রতিদিন কোম্পানীগঞ্জ থানা লক্ষ লক্ষ টাকা নিচ্ছে।

দেশের অন্যান্য জেলার ট্রাক শ্রমিকরা চলেন কি করে প্রশ্ন করা হলে আবু সরকার বলেন, আমাদের সিলেটে যে পরিমাণ ট্রাক তা কোথাও নেই। সকল ট্রাকই পাথর কোয়ারির কথা চিন্তা করে কেনা। কিন্তু এখন কোয়ারি বন্ধ থাকায় শ্রমিক, মালিক সকলেই বিপাকে। তাই আমরা চাই কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়া হোক।

আর গণপরিবহনের ধর্মঘটে সম্পৃক্ত হওয়া প্রসঙ্গে সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুহিত বলেন, ট্রাকের উপার্জন কম হয়। আর আমরাতো পরিবহণ শ্রমিকরা এক। তবুও প্রথমে আমরা সম্মত হইনি। পরে ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের নির্দেশে আমরাও সম্মত হয়েছি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ