মৌলভীবাজারে রোগীর স্বজনদেরকে গুলি করে হত্যার হুমকী,থানায় অভিযোগ 

প্রকাশিত:রবিবার, ২৯ নভে ২০২০ ০৮:১১

মৌলভীবাজারে রোগীর স্বজনদেরকে গুলি করে হত্যার হুমকী,থানায় অভিযোগ 
মোঃ তাজুদুর রহমান,মৌলভীবাজার:-
মৌলভীবাজার শহরের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত  আল-হামরা ( প্রাঃ) হাসপাতালের সামনে মৌলভীবাজার জজ কোর্টের  শিক্ষনবীশ আইনজীবী প্রসূতি রোগী সাজবিন দেওয়ান (২৮)সহ স্বজনদের হাসপাতালে জোর পূর্বক আটক করে পিস্তল দেখিয়ে শুট করে প্রাণে মারার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মোঃ মাসুক দেওয়ান মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রবিবার ২৯ নভেম্বর দুপুরে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়াছিনুল হক এর নেতৃত্বে  এসআই শরিফ ও এএস আই কালাম
আল-হামরা (প্রাঃ) হাসপাতালে ঘটনাস্থলসহ হাসপাতালের মালিক শিহাব আহমদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় গত ২৭ নভেম্বর রাত্র অনুমান ১২ ঘটিকায় মৌলভীবাজার শহরস্থ পুরাতন হাসপাতাল সড়কের আল-হামরা প্রাইভেট হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার অসিত এবং মালিক সিহাব এর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রসূতি রোগী সাজবিন দেওয়ানকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। তখন হাসপাতালের কর্তব্যরত অজ্ঞাতনামা ডাক্তার এবং কর্মচারীগণের আচরণ সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে নিয়ে অন্যত্র যাওয়ার প্রস্তাব করিলে হাসপাতালের লোকজন রোগীকে জোর পূর্বক আটক করে হাসপাতালে রাখার চেষ্টা করেন।
 হাসপাতাল থেকে নেমে সিএনজি যোগে বধূয়া বিউটি পার্লাারের সম্মুখে লেইক রোড পয়েন্ট সংলগ্ন যাওয়ার চেষ্টা করলে হাসপাতালের গেইটের সম্মুখে থাকা একটি সাদা রঙের কার হতে একজন অজ্ঞাতনামা লোক বের হয়ে হুমকি দিয়ে বলেন যে, রুগিনীকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করানোর জন্য। তার কথা অমান্য করা মাত্র ঐ অজ্ঞাতনামা লোক তার প্রাইভেটকারের ভ্যান হতে একটি ব্যাগ বের করেন ব্যাগে ছিলো একটি পিস্তল,এই পিস্তল দেখিয়ে রুগিনীসহ সাথে থাকা স্বজনদের শুট করে প্রাণে হত্যার হুমকি দেন।
 হাসপাতালের মালিক সিহাব ও কর্মচারীগণ বাধা দিলে তখন পিস্তল ব্যাগে রেখে একটি চাকু বের করে রুগীনী বহনকারী সিএনজি চালককে  প্রাণে হত্যার হুমকি দেন।এবং রুগিকে নিয়ে অন্যত্র যেতে  বাধা প্রদান করেন। তখন সিহাব, লিটনসহ কর্মচারীগণ ঐ অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারীকে স্যার স্যার বলে কাকুতি মিনতি করে পিছু হটাইয়া নিয়ে যান।
 সিএনজি চালকের মাধ্যমে কোনোমতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে প্রাণে রক্ষা পান এবং রোগীকে নিয়ে অন্যত্র একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে  চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী মোঃ মাসুক দেওয়ান বলেন-একটি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানের এরূপ আচরণে আমি আতংকগ্রস্ত অবস্থায় ও নিরাপত্তাহীন অবস্থায় আছি। এই রূপ আচরণের জন্য আমি বিচার চাই। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে স্বাক্ষী প্রমাণ রয়েছে তদন্তসহ আমার সঙ্গে থাকা সিএনজি চালক আওলাদ মিয়া, আপ্তাব মিয়াসহ সঙ্গীয় লোকজন ঘটনা দেখিয়াছেন।
 এ ব্যপারে জানতে চাইলে আল-হামরা ( প্রাঃ) হাসপাতালের মালিক সিহাব বলেন- রোগী ও রোগীর স্বজনদের সাথে আমাদের ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে। হাসপাতালের বাহিরে যে লোকটি সমস্যা করেছে সে আমাদের হাসপাতালের কেউ না।