ভাটরাই স্কূল এন্ড কলেজের সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় বন্ধ বাউন্ডারি নির্মাণ কাজ

প্রকাশিত:রবিবার, ১৫ নভে ২০২০ ১০:১১

ভাটরাই স্কূল এন্ড কলেজের সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় বন্ধ বাউন্ডারি নির্মাণ কাজ

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:-  সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রাচীন বিদ্যাপীট “ভাটরাই উচ্চ বিদ্যালয়”। ১৯৫৭ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা হয় মরহুম আব্বাস আলী, হাজী মোতালিব, হাজী মুজেফর আলীর ভূমিদানে মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠান মোট ভূমির পরিমাণ ১ একর ৬০ শতক।

 

স্কুলটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন মরহুম ছিফত উল্যাহ। তার পুত্র সদ্যপ্রয়াত ভাটরাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হক (হেডস্যার) আশির দশক থেকে স্কুলের হাল ধরে তিলে তিলে মেধা ও শ্রম দিয়ে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছেন। সেই স্কুল আজ স্কুল এন্ড কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও স্বনামধন্য এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমি সংক্রান্ত সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় মূখ থুবড়ে পড়ে আছে উন্নয়ন অগ্রগতি। সীমানা প্রাচীর, বাউন্ডারি নির্মাণ।

জানা যায়, বিগত প্রায় ১০ বছর যাবৎ এই অচলাবস্থা বিরাজমান। প্রতিষ্ঠাতা হাজী আব্বাস আলীসহ অন্যান্য ভূমিদাতার মোট ১ একর ৬০ শতক বর্তমান স্কুলের পশ্চিমে মরহুম হাজী আব্দুল আজিজ (ফুরু হাজী) এর বাড়ীর বিভিন্ন দাগে বর্ণিত ছিল। স্কুলটির আনুষাঙ্গিক সুবিধার্তে বর্তমান স্থলাভিষিক্ত জায়গায় ১৩৬ শতক ভূমি অদল বদল হয় ১৯৮৬ ইং সনে। বাকী ২৪ শতক ভূমি মরহুম হাজী আব্দুল আজিজ বর্তমান স্কুল সংলগ্ন পূর্ব সীমানায় দানপত্র দলিল করে সমজিয়ে দেন। এতে ভূমিদাতার উত্তরাধিকারীগণ ভিন্নমত পোষণ করেন। তারা বলেন, তৎকালীন সময়ে স্কুলের সুবিধার্তে ১ একর ৬০ শতকের স্হলে ১ একর ৩৬ শতক সমজিয়ে নেয় স্কুল কতৃপক্ষ। তাছাড়া পরবর্তীতে মরহুম হাজী আব্দুল আজিজ এর দানপত্র দলিলমূলে ২৪ শতক ভূমির অংশ মূলত দানপত্রকারীর অংশে ৫ শতক। মূলত এ কারণেই প্রথমে মৃদুযুদ্ধ, আইনী মারপ্যাচে ভূমিদাতার উত্তরাধিকার ও স্কুল পরিচালনা কতৃপক্ষের সাথে দেনদরবার। বারংবার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল বাছিরসহ গণ্যমান্যদের সালিসি বৈঠক, স্কুলের দাপ্তরিকভাবে রেজুলেশন তৈরিসহ বাস্তবায়নে একে অপরকে দোষারোপ করেন। বিষয়টি সূরাহা না হওয়ায় সর্বশেষ আদালতে চলছে দুটি মামলা। যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো উন্নয়ন অগ্রগতিতে মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করছে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান পরিচালনা কমিঠির সভাপতি মোহাম্মদ আলী দুলালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভাটরাই স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালনা কমিঠির সভাপতি হিসেবে ২০১২ সাল নাগাদ দায়িত্ব পাওয়ার পর কলেজে রুপান্তর, সীমানা বাউন্ডারী নির্মাণ বিষয় ও পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনসহ প্রাণপণ কাজ করেছি। যা এলাকার সর্বস্হরের জনগণ অবহিত। বিশেষ করে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে আমি বারংবার ভূমিদাতার উত্তরাধিকারী এডভোকেট বদরুল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করেছি কিন্তু ন্যায় সঙ্গত কোন সমাধানে রাজি হননি বরং স্কুল কতৃপক্ষের উপর দুই দুইটি মামলা আদালতে দায়ের করেছেন। তাছাড়া আরো দুইটি মামলা আদালতে দায়ের করেছেন এডভোকেট বদরুল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ